Opu Hasnat

আজ ১৬ অক্টোবর মঙ্গলবার ২০১৮,

বালিয়াকান্দির বেশির ভাগ নলকুপই আর্সেনিকযুক্ত স্বাস্থ্যসেবারাজবাড়ী

বালিয়াকান্দির বেশির ভাগ নলকুপই আর্সেনিকযুক্ত

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের প্রায় ২২ হাজার নলকুপের বেশির ভাগই আর্সেনিকযুক্ত। দীর্ঘদিন কোন প্রকার পরীক্ষা না হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছে সাধারন মানুষ। নলকুপগুলো দ্রুত পরীক্ষার উদ্যোগ গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন।

বালিয়াকান্দি উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার নারুয়া, জঙ্গল, নবাবপুর, ইসলামপুর, বহরপুর, জামালপুর, বালিয়াকান্দি ইউনিয়নে ২১ হাজার ৮শত ৩৬টি টিউবয়েল রয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অগভীর নলকুপ ১হাজার ৫শত ৫৯টি, ৬নং গভীর নলকুপ ২৪৯টি, তারা গভীর ৬৮টি, অগভীর তারা ৭৯৬টি, রিং ওয়েল ২৭৬টি, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ২টি, তারা ডেভ হেড ৬টি রয়েছে। ২০০৩-০৪ সালে উপজেলার প্রায় ৮হাজার টিউবয়েল আর্সেনিক পরীক্ষা করা হয়। তারপর বন্ধ হয়ে যায়। এখন উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে এসে নিয়মিত পরীক্ষা করা যায়। ২০১২ সালের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক জরিপে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ইসলামপুর ইউনিয়নে আর্সেনিকে আক্রান্ত রোগী ১৮জন, আর্সেনিকের হার ১৪%। বহরপুর ইউনিয়নে আর্সেনিকে আক্রান্ত রোগী ৩২জন, আর্সেনিকের হার ১৪%। নবাবপুর ইউনিয়নে আর্সেনিকে আক্রান্ত রোগী ৯জন, আর্সেনিকের হার ২৬%। নারুয়া ইউনিয়নে আর্সেনিকের হার ১০%। বালিয়াকান্দি ইউনিয়নে ১৮জন আর্সেনিকে আক্রান্ত রোগী, ২২% আর্সেনিকের হার। জঙ্গল ইউনিয়নে আর্সেনিকে আক্রান্ত ২জন, হার ১১%। জামালপুর ইউনিয়নে ২০জন আর্সেনিকে আক্রান্ত, হার ২৬%।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অফিস সহকারী বিকাশ চন্দ্র শিকদার জানান, কেউ যদি টিউবয়েলের পানি নিয়ে আসে, তাহলে আমরা আর্সেনিক পরীক্ষা করে দেই। অনেকেই পানি পরীক্ষার জন্য আসে। অফিসে এসে আর্সেনিক পরীক্ষা করতে পারে। তবে উপজেলাতে আমরা যে নতুন টিউবয়েল গুলো স্থাপন করছি ওই টিউবয়েল গুলো আর্সেনিক পরীক্ষা করার পর ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করে থাকি।