Opu Hasnat

আজ ২৪ এপ্রিল মঙ্গলবার ২০১৮,

হরিণ হত্যা মামলায় সালমান খানের ৫ বছরের কারাদণ্ড বিনোদন

হরিণ হত্যা মামলায় সালমান খানের ৫ বছরের কারাদণ্ড

বলিউড সুপারস্টার সালমান খানকে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। 

আজ (৫ এপ্রিল) যোদপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেব কুমার খাতরি এ রায় দেন। 

সাজার মেয়াদ নিয়ে জল্পনা ছড়ায়। প্রথমে শোনা যায় ২ বছরের জেল হয়েছে, আর এতে জামিনও পাবেন তিনি। তবে শেষমেশ সালমানের পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। সেই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী বিরল প্রজাতির প্রাণী হত্যার দায়ে অভিযুক্ত সালমান। সেক্ষেত্রে তার সর্বোচ্চ ছয় বছরের কারাদণ্ড হতে পারত। যদিও সাজা নিয়ে বেশ খানিকটা ধোঁয়াশা ছড়িয়ে পড়ে। 

সরকার পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সাজারই আবেদন জানায়। শেষমেশ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দিল আদালত। সেক্ষেত্রে নিম্ন আদালত থেকে আর জামিন নিতে পারবেন না সালমান। 

যোধপুর সেন্ট্রাল জেলে তাকে রাত কাটাতে হতে পারে। অথবা অন্য একটি সম্ভাবনাও দেখা দিচ্ছে। এখনই যদি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে রাজস্থান হাই কোর্টে বা উচ্চ আদালতে রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন জানান তারকা, তাহলে এই পরিস্থিতি এড়াতে পারেন তিনি। 

এ মামলায় বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান, টাবু, সোনালি বেন্দ্রে ও নীলমকে খালাস দিয়েছেন আদালত। মামলার রায় ঘোষণার সময় সালমান খান, সাইফ আলী খান, টাবু, সোনালি বেন্দ্রে ও নীলমও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সালমানের দুই বোন আলভিরা ও অর্পিতাও ছিলেন।

১৯৯৮ সালে ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ে গিয়ে যোদপুরের কঙ্কানি গ্রামের কাছে দুটি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা করেন সালমান খান। সালমান যখন জিপসি গাড়ি চালিয়ে শিকারে যান, তখন সাইফ আলী খান, টাবু, সোনালি বেন্দ্রে ও নীলমও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এ ঘটনার পর সালমানসহ অন্য অভিনেতাদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আইনের ৫১ নম্বর ধারায় মামলা করা হয়। এ ছাড়া বেআইনিভাবে জঙ্গলে ঢোকার অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪৯ নম্বর ধারাতেও মামলা করা হয়।

গত ২৮ মার্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০ বছর আগের আলোচিত কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার আজ রায় ঘোষণা করা হল।