Opu Hasnat

আজ ১৪ ডিসেম্বর শুক্রবার ২০১৮,

ব্রেকিং নিউজ

লক্ষ্যমাত্রা ৮৪৭৩ হেক্টর, অর্জন ৯৭০৯ হেক্টর

ঝালকাঠিতে বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে কৃষি সংবাদঝালকাঠি

ঝালকাঠিতে বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে

ঝালকাঠি জেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। বোরো আবাদ লাভ জনক হওয়ায় কৃষকের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। যার ফলে লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে চাষাবাদ বেশি হয়েছে ১হাজার ২শ ৩৬ হেক্টর জমিতে। ঝালকাঠি জেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছিলো হাইব্রিড ৯১ হেক্টর, উফশী ৮ হাজার ৩শ ৫০ হেক্টর, স্থানীয় জাতের ৩২ হেক্টর জমিতে। চাষাবাদ হয়েছে হাইব্রিড ২শ ৩১ হেক্টর, উফশী ৯ হাজার ৪শ ৫৫ হেক্টর, স্থানীয় জাতের ২৩ হেক্টর জমিতে। ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহ জালাল জানান,  জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক  বোরো আবাদে জেলায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিলো ৮ হাজার ৪শ ৭৩ হেক্টর জমিতে। বোরো চাষাবাদ হয়েছে ৯ হাজার ৭শ ৯ হেক্টর জমিতে। সদর উপজেলায় লক্ষ্য মাত্রা ছিলো ৪ হাজার ৫শ ৬৭ হেক্টরের চাষাবাদ হয়েছে ৪ হাজার ৫শ ৫০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাইব্রিড ৪৭ হেক্টর, উফশী ৪ হাজার ৫শ হেক্টর, স্থানীয় জাতের ২০ হেক্টর জমিতে। চাষাবাদ হয়েছে হাইব্রিড ২শ হেক্টর, উফশী ৪ হাজার ৩শ ৫০ হেক্টর জমিতে। স্থানীয় জাতের কোন অগ্রগতি নেই। নলছিটি উপজেলায় লক্ষ্য মাত্রা ছিলো ৩ হাজার ৮শ ৫৪ হেক্টরের চাষাবাদ হয়েছে ৫ হাজার ৫৩ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাইব্রিড ৪২ হেক্টর, উফশী ৩ হাজার ৮শ হেক্টর, স্থানীয় জাতের ১২ হেক্টর। চাষাবাদ হয়েছে হাইব্রিড ৩০ হেক্টর, উফশী ৫ হাজার হেক্টর ও  স্থানীয় জাতের ২৩ হেক্টর জমিতে। রাজাপুর উপজেলায় লক্ষ্য মাত্রা ছিলো ২৭ হেক্টরের চাষাবাদ হয়েছে ৮৬ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাইব্রিড ২ হেক্টর, উফশী ২৫ হেক্টর। চাষাবাদ হয়েছে হাইব্রিড ১ হেক্টর, উফশী ৮৫ হেক্টর। কাঠালিয়া উপজেলায় লক্ষ্য মাত্রা ছিলো ২৭ হেক্টরের চাষাবাদ হয়েছে ২০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাইব্রিড ২ হেক্টর, উফশী ২৫ হেক্টর। চাষাবাদ হয়েছে উফশী ২০ হেক্টর। 

বাসন্ডা ইউনিয়নের কৃষ্ণকাঠি এলাকার কৃষক আবুল হালাদার বলেন, দেড় বিঘা জমিতে বোরো চাষ করেছি। বোরো চাষে ফলন বেশি হয়, ফসল ঘরে তুলতেও তেমন বেগ (কষ্ট) পেতে হয় না। জ্যৈষ্ঠ মাসেই ধান ঘরে তোলা যায়। প্রতি  কাঠা জমিতে ১ মণ ধান পাওয়া যায়। অন্য ধান প্রতিকাঠায় ২৫ কেজি করে পাওয়া যায়। তাই আমরা প্রতিবছরই এ বোরো চাষ করছি। 

অভিযোগ করে কৃষক আবুল হাওলাদার জানান, আমাদের এখানে কৃষি কর্মকর্তা কে তা জানি না। আমরা কোন পরামর্শ বা সাহায্য সহযোগিতা পাই না। এখন শুকনো  মৌসুম তাই এক মেশিন ওয়ালাকে ঠিক করেছি সেচ পাম্পের মাধ্যমে আমাদের জমিতে পানি দেয়ার জন্য। বীজ রোপন থেকে শুরু করে ধান পাকা পর্যন্ত তিনি জমিতে পানি দিবেন। প্রতিবিঘায় তাকে ৩ হাজার টাকা দিতে হবে।