Opu Hasnat

আজ ১৭ আগস্ট শুক্রবার ২০১৮,

মুন্সীগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের ৫০ হাজার গ্রাহকের চরম ভোগান্তি মুন্সিগঞ্জ

মুন্সীগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের ৫০ হাজার গ্রাহকের চরম ভোগান্তি

মুন্সীগঞ্জের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিলিং সফটওয়্যারের (স্টার টেক) ত্রুটির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ৫০ হাজার গ্রাহক। ডিসেম্বর মাসে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার পরও জানুয়ারি মাসে দুই মাসের বিল বকেয়া দেখিয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসে।

বিল পরিশোধ করেও মাস শেষে বিলের কপি না আসায় শহরের ইদ্রাকপুরের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে গ্রাহকদের । 

গ্রাহকদের সমস্যাটির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো নোটিশ কিংবা গ্রাহকদের আগাম কোনো বার্তা না দেওয়ায় গ্রাহকরা দুঃশ্চিন্তায় আছেন।

ভুক্তভোগী গ্রাহকরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ডিসেম্বর মাসের পরিশোধ করা বিদ্যুৎ বিল জানুয়ারি মাসের সঙ্গে একত্রে ফেব্রুয়ারিতে দেখানো হচ্ছে। এ ছাড়া গ্রাহ্কদের বকেয়া মাস দেখানো হচ্ছে। অনেক গ্রাহকদের বিল এখনো আসেনি। এতে করে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। সফটওয়্যার ত্রুটির কারণে গ্রাহকদের সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

সদর উপজেলার কেওয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকরা জানান, আমাদের অনেকেই অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করেছে। যেহেতু সফটওয়্যার সমস্যা তাদের প্রয়োজন ছিল মাঠ পর্যায়ে গিয়ে গ্রাহকদের এই সমস্যা সমাধান করা। কিন্তু প্রতিটি গ্রাহকদের ব্যাংক থেকে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস এসে দীর্ঘ সময় ব্যয় করে আবার ব্যাংকে যেতে হচ্ছে। চাকরিজীবী গ্রাহকদের এই সমস্যার কারণে ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে।

মুন্সীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শফিউল আলম জানান, ৫৯ হাজার ৪০০ হাজার আবাসিক গ্রাহক রয়েছেন। ইতিমধ্যেই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসের সফটওয়্যার সমস্যা সমাধান হয়েছে। বিশেষ করে আবাসিক ৬৪ হাজার গ্রাহকদের ৮০ শতাংশই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। কোনো গ্রাহক অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করলে তা সামনের মাসের বিলের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। সমস্যা যেহেতু হয়েছে প্রতিটি গ্রাহককে আমাদের অফিসে এসেই সমাধান করতে হচ্ছে। ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পত্রিকান্তরে এবং মাইকিং করে গ্রাহকদের বিষয়টি জানানো হবে বলে জানান তিনি।

গ্রাহকদের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করে মুন্সীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি এম এ কাদের মোল্লা জানান, গ্রাহকরা এই সমস্যা সমাধান করছে। ব্যাংকের প্রতিটি গ্রাহকের পরিশোধ করার রিপোর্ট সময় মতো পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে নির্ধারিত সময়ে না আসায় এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। সমস্যাটির সমাধানের দ্রুত ব্যবস্থা করা হচ্ছে।