Opu Hasnat

আজ ২১ অক্টোবর রবিবার ২০১৮,

তৃতীয় দিন শেষে ৯ রানে পিছিয়ে লঙ্কানরা খেলাধুলা

তৃতীয় দিন শেষে ৯ রানে পিছিয়ে লঙ্কানরা

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৫১৩ রানের জবাবে চমৎকার ব্যাটিং দৃঢ়তায় লিড নেওয়ার পথে শ্রীলঙ্কা। আর মাত্র ৯ রানে পিছিয়ে লঙ্কানরা। হাতে ৭ উইকেট।

রোশেন সিলভা ৮৭ ও অধিনায়ক দিনেশ চান্দিমাল ৩৭ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। স্কোর তিন উইকেটে ৫০৪।

ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলে ডাবল সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৪ রান দূরে থাকতে আউট হন কুশল মেন্ডিস (১৯৬)। মূল্যবান ব্রেকথ্রু এনে দেন তাইজুল ইসলাম। মুশফিকের রহিমের হাতে ধরা পড়েন লঙ্কান ওপেনার। ৪১৫ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় সফরকারীরা।

মেন্ডিসকে ফেরানোর কয়েকটি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে না পারার খেসারত দিতে হয়েছে। ব্যক্তিগত ৪ রানে মোস্তাফিজের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে প্রথম জীবন পান। পরে তার ব্যাটে ভর করে লিড নেওয়ার ভিত পায় লঙ্কানরা। যোগ্য সঙ্গ দেন ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা। ধনাঞ্জয়ার সঙ্গে ৩০৮ রানের জুটির পর রোশেন সিলভাকে নিয়ে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১০৭ রান যোগ করেন।

মেন্ডিস-ধনাঞ্জয়ার তিনশ’ ছাড়ানো পার্টনারশিপ ভেঙে তৃতীয় দিনের প্রথম উদযাপনের উপলক্ষ আনেন মোস্তাফিজুর রহমান। ক্রস খেলতে গিয়ে ব্যাটে ঠিকমত সংযোগ না হওয়া নতুন বলের শর্ট ডেলিভারির হাওয়ায় ভাসানো ক্যাচ গ্লাভসবন্দি করেন লিটন দাস। ডাবল সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন ধনাঞ্জয়া (১৭৩)।

রানের খাতা না খুলতেই দিমুথ করুণারত্নেকে হারানোর পর মেন্ডিস ও ধনাঞ্জয়ার ব্যাটে দুর্দান্তভাবেই ঘুরে দাঁড়ায় লঙ্কানরা। শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) ১ উইকেটে ১৮৭ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের ব্যাটিংয়ে নামে সফরকারীরা।

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে মুমিনুল-মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর নৈপুণ্যে প্রথম ইনিংসে পাঁচশ’র বেশি রানের সংগ্রহ পায় টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ।

চোখ ধাঁধানো ইনিংসে অল্পের জন্য লক্ষ্য পূরণ হয়নি ‘লিটল মাস্টার’ মুমিনুল হকের। নিজের আগের সর্বোচ্চ ১৮১ ও ডাবল সেঞ্চুরি ছোঁয়ার অপেক্ষাটা আরও দীর্ঘায়িত হলো তার। থামেন ১৭৬ রানে।

দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৮৩ রানে অপরাজিত থেকে যান ইনজুরি আক্রান্ত সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতিতে টেস্ট অধিনায়ত্বের অভিষেক হওয়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মিরাজ ২০ (রানআউট) ও অভিষিক্ত সানজামুল ইসলাম ২৪ রান করেন।

মুমিনুলের সঙ্গে ২৩৬ রানের তৃতীয় জুটিতে সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন মুশফিকুর রহিম (৯২)। তামিম ইকবাল ৫২, ইমরুল কায়েসের ব্যাট থেকে আসে ৪০। এই ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে দুই হাজারি রানের ক্লাবে প্রবেশ করেন মুমিনুল ও মাহমুদউল্লাহ।

লঙ্কানদের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন হেরাথ ও পেসার সুরাঙ্গা লাকমল। লক্ষণ সান্দাকান দু’টি ও অন্যটি অরেক স্পিনার দিলরুয়ান পেরেরার।