Opu Hasnat

আজ ১৮ জুন মঙ্গলবার ২০১৯,

তিস্তা নদীতে নিহত ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়ার দাফন সম্পন্ন হবিগঞ্জ

তিস্তা নদীতে নিহত ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়ার দাফন সম্পন্ন

চোরাকারবারিদের ধরতে গিয়ে তিস্তা নদীতে পড়ে নিহত লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পের ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

আজ (৩০ জুন) সকালে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পইল আটঘরিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে পইল আটঘরিয়া গ্রামের মাঠে সুমনের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সুমন মিয়া হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পইল আটঘরিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল হেকিমের পুত্র।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সুমনের লাশ তার বাড়িতে নিয়ে আসে বিজিবির একটি প্রতিনিধি দল।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন ঈদের দিন রাতে দহগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পের হাবিলদার আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি টহল দল তিস্তা নদীর আবুলের চর এলাকায় চোরাকারবারিদের প্রতিহত করতে যান। টহল দলে ছিলেন ল্যান্স নায়েক টুটুল মিয়া, ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়া ও সিপাহী উচ্চ প্রু মারমা। আবুলের চর এলাকায় তিস্তা নদীর কিনারে চোরাকারবারিদের সঙ্গে গরু টানাটানির এক পর্যায়ে টুটুল মিয়াকে নদীতে নামানো হয়। চোরাকারবারিরা গরুর রশি ছেড়ে দিলে টুটুল মিয়া দুটি গরু নিয়ে চরে ফিরে আসছিলেন। টুটুল মিয়া তলিয়ে যাচ্ছে ভেবে তাকে উদ্ধারে সুমন মিয়া তিস্তা নদীতে নামেন। পরে টুটুল মিয়া তীরে উঠতে পারলেও সুমন মিয়া নিখোঁজ হন।

পরে মঙ্গলবার ভোর থেকে তাকে উদ্ধারে বিজিবি, বিএসএফ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ২৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নদীতে অভিযান চালায়। ৩২ ঘণ্টা পর বুধবার সকাল ১০টার দিকে দহগ্রামের আবুলের চর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার ভাটিতে তিস্তা নদীর ভারতীয় অংশ থেকে ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়ার লাশ উদ্ধার করে বিএসএফ। দুপুর ২টার দিকে ভারতের দরুন ক্যাম্পের বিএসএফের সদস্যরা সুমন মিয়ার লাশ হস্তান্তর করেন।